সামরিক আইনের ঘোষণা করায় বরখাস্তের দাবি! ভোটাভুটিতে | বাংলা উদ্ধৃতি

"সামরিক আইনের ঘোষণা করায় বরখাস্তের দাবি! ভোটাভুটিতে স্বস্তিতে দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট শনিবার পার্লামেন্টে বিরোধীরা প্রেসিডেন্টের বরখাস্ত চেয়ে প্রস্তাব পেশ করেন। কিন্তু ইওলের দল পিপল্‌স পাওয়ার পার্টির সদস্যেরা প্রস্তাবের বিরোধিতা করে পার্লামেন্টের মধ্যে হই হট্টগোল শুরু করেন। তার পরই পার্লামেন্ট বয়কট করে বেরিয়ে যান তাঁরা। আচমকাই দেশে সামরিক আইন (মার্শাল ’ল) জারি করার কথা ঘোষণা করে বিপদে পড়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। তবে প্রবল জনবিক্ষোভের মুখে পিছু হটতে হয় তাঁকে। জারি করার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন ইওল। তবে তার পরও মেলেনি স্বস্তি। বিরোধী শিবির তাঁর বরখাস্তের (ইমপিচমেন্ট) দাবি তোলে। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট ভোটাভুটিতে প্রেসিডেন্টের বরখাস্তের পক্ষে সমর্থন আদায় করতে ব্যর্থ হলেন বিরোধীরা। ©BANGLE TIMES"

 সামরিক আইনের ঘোষণা করায় বরখাস্তের দাবি! ভোটাভুটিতে স্বস্তিতে দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট

শনিবার পার্লামেন্টে বিরোধীরা প্রেসিডেন্টের বরখাস্ত চেয়ে প্রস্তাব পেশ করেন। কিন্তু ইওলের দল পিপল্‌স পাওয়ার পার্টির সদস্যেরা প্রস্তাবের বিরোধিতা করে পার্লামেন্টের মধ্যে হই হট্টগোল শুরু করেন। তার পরই পার্লামেন্ট বয়কট করে বেরিয়ে যান তাঁরা।

আচমকাই দেশে সামরিক আইন (মার্শাল ’ল) জারি করার কথা ঘোষণা করে বিপদে পড়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। তবে প্রবল জনবিক্ষোভের মুখে পিছু হটতে হয় তাঁকে। জারি করার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন ইওল। তবে তার পরও মেলেনি স্বস্তি। বিরোধী শিবির তাঁর বরখাস্তের (ইমপিচমেন্ট) দাবি তোলে। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট ভোটাভুটিতে প্রেসিডেন্টের বরখাস্তের পক্ষে সমর্থন আদায় করতে ব্যর্থ হলেন বিরোধীরা।

©BANGLE TIMES

সামরিক আইনের ঘোষণা করায় বরখাস্তের দাবি! ভোটাভুটিতে স্বস্তিতে দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট শনিবার পার্লামেন্টে বিরোধীরা প্রেসিডেন্টের বরখাস্ত চেয়ে প্রস্তাব পেশ করেন। কিন্তু ইওলের দল পিপল্‌স পাওয়ার পার্টির সদস্যেরা প্রস্তাবের বিরোধিতা করে পার্লামেন্টের মধ্যে হই হট্টগোল শুরু করেন। তার পরই পার্লামেন্ট বয়কট করে বেরিয়ে যান তাঁরা। আচমকাই দেশে সামরিক আইন (মার্শাল ’ল) জারি করার কথা ঘোষণা করে বিপদে পড়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। তবে প্রবল জনবিক্ষোভের মুখে পিছু হটতে হয় তাঁকে। জারি করার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন ইওল। তবে তার পরও মেলেনি স্বস্তি। বিরোধী শিবির তাঁর বরখাস্তের (ইমপিচমেন্ট) দাবি তোলে। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট ভোটাভুটিতে প্রেসিডেন্টের বরখাস্তের পক্ষে সমর্থন আদায় করতে ব্যর্থ হলেন বিরোধীরা। ©BANGLE TIMES

#South_Korea

People who shared love close

More like this

Trending Topic